এ সময়ে বাংলাদেশ থেকে বিশ্ববাজারে ৪৭২ কোটি ৭৪ লাখ ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছে, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় দশমিক ৯০ শতাংশ কম। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাইয়ে রফতানি আয়ের পরিমাণ ছিল ৪৭৭ কোটি ৬ লাখ ডলার। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) গতকাল রফতানি আয়ের হালনাগাদ এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
ইপিবির তথ্যানুযায়ী, নতুন অর্থবছরের শুরুতে তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতে মাসিক হিসাবে উল্লেখযোগ্য গতি ফিরেছে। জুলাইয়ে এ খাত থেকে রফতানি আয় হয়েছে ৩৮৮ কোটি ৬৭ লাখ ডলার। আগের মাসের তুলনায় তৈরি পোশাকের রফতানি বেড়েছে ১৪ দশমিক ৭৩ শতাংশ। জুনে এ খাতের রফতানি ছিল ৩৩৮ কোটি ৭৭ লাখ ডলার।
তবে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় তৈরি পোশাকের রফতানি কমেছে ১ দশমিক ৯২ শতাংশ। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে এ খাতে রফতানি আয় হয়েছিল ৩৯৬ কোটি ডলারে। বৈশ্বিক বাজারে ক্রেতাদের ইনভেন্টরি সমন্বয়ের ধারাবাহিক প্রভাবের কারণে এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
জুলাইয়ে রফতানি গন্তব্যের তালিকায় শীর্ষে ছিল যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে এ মাসে বাংলাদেশ থেকে রফতানি হয়েছে ৯১ কোটি ৮৭ লাখ ডলারের পণ্য, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় দশমিক ২৫ শতাংশ বেশি। বড় বাজারগুলোর মধ্যে এটিই ছিল ইতিবাচক প্রবৃদ্ধির একটি ক্ষেত্র।
এদিকে জার্মানি ও যুক্তরাজ্য যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় বৃহৎ রফতানি গন্তব্য হিসেবে অবস্থান ধরে রেখেছে। জুলাইয়ে জার্মানিতে রফতানি হয়েছে ৪৯ কোটি ৫৩ লাখ ডলারের পণ্য। আর যুক্তরাজ্যে রফতানি হয়েছে ৪৭ কোটি ৮৪ লাখ ডলারের পণ্য। অপ্রচলিত ও সম্ভাবনাময় বাজারগুলোর মধ্যে জুলাইয়ে ভারত ও সৌদি আরবে রফতানি প্রবৃদ্ধি ছিল সবচেয়ে বেশি। ভারতে রফতানি বেড়েছে ১৫ দশমিক ৩০ শতাংশ আর সৌদি আরবে ১০ দশমিক ৬৪ শতাংশ।